খুলনা, বাংলাদেশ | ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  খুলনায় নতুন এসপি, আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ
  চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কেশবপুরের মানবিক ডাক্তার কামরুজ্জামান
  বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা : কেএমপি
  কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক ০৩(তিন) টি সিআর-সাজা পরোয়ানাভূক্ত ০১(এক) জন আসামী গ্রেফতার
  মৌলভীবাজারে বিদ্যুৎ সংকটে ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম, সমাধানে এমপি ও মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি
  খুলনায় গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে ছাত্রদলের দেয়াললিখন, চট্টগ্রাম সিটি কলেজে হামলার প্রতিবাদ
  বগুড়ায় প্রকাশ্য দিবালোকে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
  যা শুরু করেছেন, আপনাদের কারণেই আওয়ামী লীগ ফিরবে’
  ইরান যুদ্ধবিরতি বাড়ানোয় যুক্তরাষ্ট্রকে স্বাগত জানাল ব্রিটেন
  দুই কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

রাজশাহীর পদ্মায় কুমির, নদীতে গোসল না করতে মাইকিং

[ccfic]

সোহেল রানা,স্টাপ রিপোর্টার :রাজশাহীর পদ্মা নদীতে একাধিক কুমিরের দেখা মিলেছে। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক একটি কুমিরের ছবি তুলেছেন আলোকচিত্রী দম্পতি ইমরুল কায়েস ও উম্মে খাদিজা ইভা। ছোট কুমির দেখেছেন স্থানীয় জেলেরা। এ অবস্থায় নদীতে গোসল না করতে এলাকাবাসীকে মাইকিং ও লিফলেটের মাধ্যমে সতর্ক করছে রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পদ্মার ষাটবিঘা চরে পাখির ছবি তুলতে গিয়ে কায়েস দম্পতি কুমিরটির দেখা পান। ড্রোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবিতে স্পষ্টভাবে দেখা যায় কুমিরটি পানির ধারে রোদ পোহাচ্ছে। স্থানীয় রাজু আহাম্মেদ প্রথম কুমিরটি দেখেছিলেন গরু চরাতে গিয়ে। আইইউসিএন জানিয়েছে, ছবিতে দেখা প্রাণীটি মিঠাপানির কুমির, যা বাংলাদেশে বিলুপ্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।আইইউসিএনের মুখ্য গবেষক এ বি এম সারোয়ার আলম জানান, ২০১৫ সালে মিঠাপানির কুমির বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পরে পাবনা ও আরও দুটি স্থানে কুমির দেখা যায়, যেগুলো এখন সুন্দরবনের করমজল প্রজননকেন্দ্রে সংরক্ষিত। তিনি ধারণা করছেন, রাজশাহীর কুমিরটি সম্ভবত ভারতের চাম্বুল নদ এলাকা থেকে এসেছে।রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, স্থানীয় জেলেরা ছোট কুমিরও দেখেছেন। তাই ধারণা করা হচ্ছে, পদ্মায় একাধিক কুমির রয়েছে। তিনি বলেন, “এগুলো জলজ প্রাণী, জলেই থাকুক। তাদের বিরক্ত করা যাবে না।”এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে কেউ কেউ প্রশাসনের কাছে কুমিরটি ধরে নেওয়ার অনুরোধ করেছেন। তবে আলোকচিত্রী ইমরুল কায়েস চান, কুমিরটি যেন মুক্তভাবে নদীতেই থাকে, যাতে এর প্রজনন সম্ভব হয়। তাঁর আশঙ্কা, আইইউসিএন কুমিরটিকে ধরে নিয়ে যেতে পারে।বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগের লিফলেটে বলা হয়েছে, কুমির হিংস্র হলেও তারা জলজ বাস্তুতন্ত্রে ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই কুমির দেখলে বিরক্ত না করা, নদীতে গোসল না করা, শিশুদের নদীর ধারে না পাঠানো, ছোট নৌকা চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা এবং রোদ পোহানো কুমিরের দিকে ঢিল না ছোড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।লিফলেটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী কুমিরকে বিরক্ত করা, ধরা, হত্যা করা বা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT