খুলনা, বাংলাদেশ | ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ

গৃহপরিচারিকা নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার পুলিশ দম্পতি, জামিন চেয়ে আবেদন

[ccfic]

মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম:

খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন সোনাডাঙ্গা দ্বিতীয় ফেজ এলাকায় গৃহপরিচারিকাকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের। পরবর্তীতে পুলিশ দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন সোনাডাঙ্গা থানার এএসআই পপি রানী সাহা ও তার স্বামী একই থানায় কর্মরত এএসআই সঞ্জয় কুমার সরকার। গ্রেফতারের পর জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম।মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ১৭ জুন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সোনাডাঙ্গা দ্বিতীয় ফেজ এলাকার ৪১৪ নম্বর বাড়ির ৬ নম্বর সড়কে অবস্থিত নিজ বাসভবনে কর্মরত গৃহপরিচারিকা মিলন চন্দ্র দাস ২০ কে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন অভিযুক্তরা। উল্লেখ্য “কুমড়ার তরকারি পুড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে মিলনকে বারান্দায় কান ধরে ওঠবস করানো হয়। পরে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। এ সময় গরম খুন্তি ও কড়াই দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।মিলনের বাড়ি নরসিংদী জেলায়। তিনি ওকিল চন্দ্র দাসের মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করছিলেন তিনি। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, এটি প্রথম ঘটনা নয়। এর আগেও তাকে নির্যাতন করা হয়েছে।ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে ভিকটিমের মা মিনতী রানী দাস বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২০, তারিখ ১৮ জুন ২০২৬। মামলায় এএসআই পপি রানী সাহা ও এএসআই সঞ্জয় কুমার সরকারকে আসামি করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩৪, ৩২৩, ৩২৫ ও ৫০৬ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।মামলা দায়ের পরপরই অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে হেফাজতে নেয় সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ। সোনাডাঙ্গা থানার ডিউটি অফিসার এসআই হাসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা দায়ের পর অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এসআই হাসানুজ্জামান আরো জানান, ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল।এদিকে গ্রেফতারের পর আসামিপক্ষের আইনজীবী (খুলনা- জজ -কোর্ট) অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আসামিদের জামিন চেয়ে আবেদন দাখিল করেছেন। আদালত সূত্র জানায়, আবেদনের বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশ দেওয়া হবে।একজন পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের ঘটনায় খুলনাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা বিরাজ করছে। মানবাধিকার ও নারী অধিকার সংগঠনগুলো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT