খুলনা, বাংলাদেশ | ২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ‎ডুমুরিয়ায় তিন বিলের পানি নিষ্কাশনে স্লুইস গেটের পলি অপসারণ স্বেচ্ছাশ্রমে
  কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত তরুণীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
  মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের হাতে ফুটবল বিতরণ করলেন যুবনেতা শেখ হুমায়ূন কবির
  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি সফল করতে নিরাপদ খুলনা চাই-এর প্রস্তুতি সভা
  অসুস্থ মায়ের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চাইলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহাগ
  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম

এক সপ্তাহে ১৪ মৃত্যু ৪৩ কিলোমিটারের মহাসড়কে ৮ মাসে ঝরল ৩১ প্রাণ

[ccfic]

ডেস্ক :

আতঙ্কের আরেক নাম বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়ক। দুর্ঘটনায় এই সড়কে মৃত্যু যেন নিত্যদিনের ঘটনা। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের আট মাসে এখন পর্যন্ত এই সড়কে প্রাণ ঝরেছে ৩১ জনের। এরপরও দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।মাঝেমধ্যেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে ৪৩ কিলোমিটারের এই সড়ক। বেপরোয়া গতির কাছে হার মানছে বহু মানুষের জীবন। গল্পটা বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের, যা উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। অথচ চলতি বছরের আট মাসে বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় এই মহাসড়কে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩১ জন। শুধু এক সপ্তাহেই মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ।তথ্য অনুযায়ী, এই সড়কের এরুলিয়া স্কুলের সামনে, বিমানবন্দরের সামনে, কাজীপাড়া বাসস্ট্যান্ড, দুপচাঁচিয়া বাজার, আদমদীঘি ও সান্তাহারসহ বেশ কয়েকটি স্থান চরম দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। স্থানীয়দের দাবি, মাত্র দুই লেনের এই সড়কে সব সময় দ্রুতগতির বাস ও ট্রাক চলাচল করে। সড়কটি সরু হওয়ায় যানবাহনের চাপও সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।স্থানীয়রা বলেন, আমাদের এখানকার রাস্তাঘাট ছোট। এখানে অনেক কলকারখানা রয়েছে, পাশাপাশি অনেক যানবাহনও চলাচল করে। রাস্তা ছোট হওয়ার কারণে বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। এটি এখন বিপজ্জনক সড়কে পরিণত হয়েছে। চার লেনে উন্নীত না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যাবে। এর আগেও এখানে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে।যদিও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের দাবি, সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার জন্য এরই মধ্যে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।বগুড়া সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুল হক বলেন, অটোরিকশা ও হাইস্পিডের গাড়ি এগুলো একসঙ্গে চলাচল করছে। আমাদের এখানে যদি এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তাহলে হয়তো দুর্ঘটনা কমবে।সবশেষ শুক্রবার এই সড়কে পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় বহু হতাহতের ঘটনায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এ পথে চলাচলকারী যাত্রীরা।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT