খুলনা, বাংলাদেশ | ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  কেশবপুরের মাঠে আগাম শীতের শাক- সবজির চাষে ব্যস্ত সময় পার কৃষক
  ডুমুরিয়ায় প্রকৌশলী সুবোধ মণ্ডলের স্মরণে জ্ঞাতিভোজ ও স্মরণানুষ্ঠান
  সরকারকে পর্যালোচনার সময় না দিয়ে বিরোধী দলের লং মার্চ অনুচিত: চিফ হুইপ
  রিপাবলিকান প্রার্থীদের জয়ে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলার ঢালবেন ট্রাম্প ​নিজস্ব প্রতিনিধি:
  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’দিনব্যাপী ‘স্কলারশিপ ফেস্টিভ্যাল’ অনুষ্ঠিত:
  চুকনগরে উৎসবের রঙে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী ২৪ মন্দিরের ভক্তদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
  মাজারে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী, পরিবারের সন্ধান চেয়ে পুলিশের অনুরোধ.
  ডুমুরিয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে রঘুনাথপুর ইউনিয়নে প্রস্তুতি সভা
  ডুমুরিয়ার ১৮ মাইল বাজারে এমপি লবি ও তার সহধর্মিণীর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল
  খর্নিয়া হাইস্কুলে সাবেক ছাত্রদল নেতা মোজাহিদ সভাপতি নির্বাচিত

পাহাড়ধসের শঙ্কায় রাঙ্গামাটিতে প্রশাসনের মাইকিং

[ccfic]

ডেস্ক :

টানা বর্ষণ ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রাঙ্গামাটির বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার শহরের শিমুলতলীসহ কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসলাম সারোয়ার বলেন, টানা বর্ষণ শুরু হলেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক করা হয়। জীবন রক্ষায় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলা এবং পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে অবস্থান না করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তিনি বলেন, আবহাওয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে ১১টিসহ সারা জেলায় মোট ৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া পৌর এলাকার ২৮টি স্থানকে পাহাড়ধসপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।তবে পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকা ও পাহাড়ের পাদদেশে প্রায় অর্ধলাখ মানুষ বসবাস করছে। পৌর শহরের শিমুলতলী, রূপনগর, নতুনপাড়া, যুব উন্নয়ন এলাকা, রিজার্ভ বাজার, ভেদভেদি ও লোকনাথ মন্দির এলাকাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে এখনও অনেক পরিবার ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে।এ সময় রাঙ্গামাটি জেলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্য, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. রিয়াদ হোসেনসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT