নিজস্ব প্রতিনিধী খুলনা:-বাগেরহাটের মোংলা বন্দর জেটিতে পৌছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (০১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় হেলিকপ্টার যোগে তিনি মোংলা বন্দর এলাকায় পৌছান। পরবর্তীতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বন্দর জেটিতে পৌছান প্রধানমন্ত্রী।এই জেটিতে তৈরি অস্থায়ী শেডে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন (সিআরসিসি) এর চেয়ারম্যানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে যোগদান ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। পরে মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুটি জেটি নির্মাণ ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন কার্যক্রমের বৃত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন।পরে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে সড়কপথে বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ) এর মাজার শরীফের উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে মাজার শরীফে পৌছাবেন। দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে সড়কপথে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন। পরে বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল সাড়ে চারটায় হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় যাওয়ার কথা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছে বাগেরহাটবাসী।মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পজিস্টিকস কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে "মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উদ্ধি আধুনিকায়নকল্পটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৯ নং জেটিতে আয়োজিত আড়ম্বরপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উক্ত প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর উদ্ধোধন করা হবে।ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি; নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান, এমপি; বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি , নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন ফারুক, এমপি ও সদস্যবৃন্দ, ইনভেষ্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, নৌপরিবহন সচিব মোঃ আতাউর রহমান খান, এনডিসি; চায়নার Dai Hegen, Chairman, CRCC(Vice Minister Rank); Song Yang, Economic and Commercial Counselor, Embassy of People's Republic of China in Bangladesh; Li Chongyang, Chairman, CCECC অতিথিগন উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আমদানি-রপ্তানি সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ। সভার সভাপতিত্ব করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জনাব রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।এরপর প্রধানমন্ত্রী "মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন (Expansion and Modernization of Mongla Port Facilities)" বিষয়ক প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করবেন। উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ১০ ও ১১ নং জোটি নির্মাণ কার্যক্রম সমাপ্ত হবে। প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৫.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং নির্মাণকাল ০৪ (চার) বছর। প্রকল্পের আওতায় রয়েছে ০২ টি আধুনিক জেটি নির্মাণ, কন্টেইনার লোডিং-আনলোডিং ইয়ার্ড, বিপজ্জনক কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড, ৪৯টি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য কার্যক্রম। উক্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি নিরাপদে কন্টেইনার সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হবে।