অনুপম মল্লিক, ডুমুরিয়া, খুলনা থেকে:- খুলনা জেলার বিল ডাকাতিয়া যেন আজ এ অঞ্চলের মানুষের দুঃখ-দুর্দশার প্রতীক। বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি মেলেনি এ অঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের। নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও জলাবদ্ধতা নিরসন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর উদ্যোগের সুফল আজও দৃশ্যমান নয়। ফলে কৃষি, মৎস্য উৎপাদন, যোগাযোগব্যবস্থা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।একসময় যে জনপদ ছিল সোনালি ধানের ক্ষেত, সবুজ ফসল আর প্রাণবন্ত গ্রামীণ অর্থনীতির পরিচায়ক, সেখানে এখন বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে। জলাবদ্ধতার কারণে অনেক স্থানে ধান, গম ও শাকসবজির চাষ ব্যাহত হচ্ছে। কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো হারাচ্ছে জীবিকার অবলম্বন। অন্যদিকে, বিলের খাল ও জলপথগুলো কচুরিপানা ও বিভিন্ন জলজ আগাছায় এমনভাবে ঢেকে গেছে যে অনেক স্থানে নৌযান চলাচলও দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।সরেজমিনে বিল ডাকাতিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ জলরাশির ওপর কচুরিপানার ঘন আস্তরণ। কোথাও কোথাও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ এসব কচুরিপানা ও আগাছা অপসারণে কার্যকর উদ্যোগের অভাব নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। তাঁদের প্রশ্ন, এত জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না কেন?শুধু কৃষিই নয়, জলাবদ্ধতা ও কচুরিপানার বিস্তারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মৎস্যসম্পদও। মাছের স্বাভাবিক বিচরণ ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় জীবিকা হারানোর শঙ্কায় র�