এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও:-কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের ভরাখালে দূষিত ময়লা আবর্জনার দূগন্ধে বিষিয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ। জনজীবনে অতিষ্ঠসহ ডেঙ্গু আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে দেখার কেউ নেই।৩০ অক্টোবর (শুক্রবার) সকালে সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, ঈদগাঁও মধ্যম মাইজ পাড়ায় ভরাখালে বাড়ীঘরের দূষিত ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ফলে জমানো আবর্জনা থেকে সৃষ্টি হচ্ছে দূগন্ধ। খালের পাশ্ববর্তী গ্রামীন সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে অসংখ্য পথচারী, ছাত্র-ছাত্রীসহ হরেক রকমের যানবাহন। মানুষরা খালে ময়লার পঁচাগন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। এদিকে খালটিতে পানি চলাচল না থাকায় ফেলানো ময়লা গুলো থমকে রয়েছে। দিন দিন জমানো ময়লা পঁচে গলে দূগন্ধে বিষিয়ে উঠছে এলাকার পরিবেশ।অপরদিকে সন্ধ্যার পরপরেই মশার অত্যাচারে দুর্বিষহ হয়ে উঠে ঘরবাড়ি। মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ শিশু কিশোরসহ নারী পুরুষরা।স্থানীয় আজিম,আলীমসহ অনেকে জানান, জলাবদ্ধ জায়গা গুলোতে মশার বংশবিস্তার বেড়ে গেছে। জলাশয় নিয়মিত পরিষ্কার না করা এবং মশা নিধনে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকে মশা তাড়ানোর জন্য কয়েল,স্প্রে ও ইলেকট্রিক ব্যাট ব্যবহার করলেও তাতে কাজ হচ্ছেনা।শিক্ষা্থী আইরিনসহ অনেকে জানান, খালের পাশঘেষে অসংখ্য মানুষের চলাচল। সে সাথে স্কুল,কলেজও মাদ্রাসামুখী ছাত্র ছাত্রী দের অবাধ চলাফেরাও হয়ে থাকে এ সড়ক দিয়ে। সড়কের পাশে খালে জমানো ময়লা আবজনার দূগন্ধে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুনজরও দাবী করেন তারা।সচেতন মহলের দাবী, খালের নানান স্থানে ছড়িয়ে ছিড়িয়ে থাকা ময়লা আবজনা অপসারনে পরিকল্পিত বজ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হোক। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমসহ জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যােগ গ্রহণের আহবান। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের জনগুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে হতে পারে একটি মুক্তির উপায়। স্থানীয় মেম্বার বজলুল রশিদ জানান, বিষয়টি গুরুত্বতার সাথে দেখবেন বলে জানান প্রতিবেদককে।ডা:আবু সাদেক জানান,পানিযুক্ত ময়লা ডেঙ্গু বিস্তার লাভ করতে পারে। স্ব স্ব পরিবারের আশেপাশে পরিস্কারসহ এলাকা পরিচ্ছন্ন করে সচেতন থাকা জরুরী।ঈদগাঁও ভিলেজ ডক্টরস ফোরামের সহ সভাপতি আবদু সালাম জানান, পানিযুক্ত স্যাঁতস্যাঁতে ময়লা থেকে ডেঙ্গু মশার উৎপত্তি হতে পারে। প্রত্যেকটি ঘরবাড়ী পরিস্কার রাখা দরকার। সবাইকে ও সচেতন হওয়া জরুরী।