এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে দীর্ঘবছর ধরে গণ-শৌচাগার না থাকায় চরম বিপাকে পড়েন বাজারে আগত নারী পুরুষরা। দ্রুত বাস্তবায়ন দাবী বাজারবাসীর। জানা যায়,দক্ষিণ চট্টলার বৃহত্তর বানিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজার। এ বাজারে স্থানীয় উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়ন ছাড়াও চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী,রামু উপজেলার ঈদগড়, রশিদনগর, জোয়ারিয়ানালা, সদর উপজেলার চৌফলদন্ডীও ভারুয়াখালীসহ আশপাশ এলাকার লোকজন প্রতিনিয়ত ব্যবসায়ীক কাজেকর্মে ঈদগাঁও বাজারে আসা যাওয়া করে থাকে। অন্যন্য দিনের চেয়ে সাপ্তাহিক হাট বাজার তথা শনি ও মঙ্গলবার ঈদগাঁও বাজারে প্রায় লক্ষাধিকের কাছাকাছি নারী-পুরুষ লোকজনের সমাগম ঘটে থাকে। কেউবা ব্যবসায়ীক আর কেউ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজকর্মে বাজারে এসে থাকেন। অথচ এই বৃহৎ বাজারে কোথাও সরকারী কিংবা ব্যাক্তি উদ্যোগে একটিও গণশৌচাগার নেই। যার ফলে স্থানীয়ও দুরদুরান্ত থেকে আগত লোকজন প্রয়োজনের স্বার্থে টয়লেট নিয়ে চরম অসুবিধায় পড়ছে দীর্ঘকাল ধরে। বিশেষ করেই মহিলাদের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। নিদারুন কষ্ট পাচ্ছেন নারীরা। প্রতিবছর ঈদগাঁও বাজারটি কোটি কোটি টাকার সরকারিভাবে ডাক হয়ে থাকেন। বাজারে আগত নারী-পুরুষদের সুবিধার কথা বিবেচনায় রেখে অদ্যবধি পযন্ত গনশৌচাগার স্থাপন করেননি। এটি জনদাবীতে পরিণত হয়ে পড়ে। লোকজনরা প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে নানান ভোগান্তির শিকার হতে হয়। সমাজ হিতৈষী কামরুল আহসান বাবু জানান, দক্ষিণ চট্টলার বৃহৎ বানিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারে একটি পাবলিক টয়লেট না থাকা অতি দু:খজনক। বাজারে আগত নারী-পুরুষরা নানান অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে বারবার। এমন একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বাজারে ডজন এরও বেশি মার্কেট থাকলেও সেসব মার্কেটে পাবলিক টয়লেট নেই। পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই মার্কেট ভবন নির্মান করা হচ্ছে। বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনায় গণ-শৌচাগার সময়ের যোক্তিক দাবী।পথচারী শুক্কুর,মোহাম্মদ আলম আলীমসহ আরো অনেকে জানান, ঈদগাঁও বাজারে গণশৌচাগার না থাকা আসলে দু:খজনক। জরুরী বিবেচনায় দ্রুত বাস্তবায়নের জোর দাবী। সচেতন মহল জানান, বিশাল বাজারে পাবলিক টয়লেট না থাকা মানে হতাশ। সরকারী খাস জায়গা চিহ্নিত করে বাজার এলাকায় গনশৌচাগার করার সুব্যবস্থা করা হউক। এ বিষয়ে উদ্বর্তন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট আবেদনও প্রদান করা হয়।