এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় খুচরা দোকানে দ্বিগুন দামে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাস নানা দামে বিক্রি চলছে। নেই কোন নিদিষ্ট মূল্য তালিকা। যার ফলে গ্রাহকরা হয়রানীর শিকার হচ্ছে। চড়া দামের ফলে বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁর গ্যাস সিলিন্ডারের রান্না নিয়ে নানাভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এসব সমস্যায় দেখার যেন কেউ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-নজর দাবি ভুক্তভোগীদের।উপজেলার বিভিন্ন স্থানের খুচরা গ্যাসের দোকানদারেরা দ্বিগুন দামে বিক্রি করছে গ্যাস। এতে গ্রাহকদের ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে চরম অসন্তোষও। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ঈদগাঁওর বিভিন্ন এলাকার খুচরা সিলিন্ডার বিক্রির দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।জানা যায়, পূর্বের দামের চেয়ে বর্তমানে প্রতি সিলিন্ডারে ২শ থেকে ৩শ টাকা বেশি দাম নিচ্ছে। যার ফলে খুচরা বিক্রেতাসহ গ্রাহকরা বেকায়দায় পড়েছে। খুচরা গ্যাস বিক্রেতা ছুরুত আলম জানান, এলপি ২১শ, টোটাল ২২শ টাকা দামে বিক্রি করছি। কেনা দর থেকে কিছু টাকা লাভে গ্যাস বিক্রি করে যাচ্ছি। মাইজ পাড়ার আরেক খুচরা গ্যাস বিক্রেতা শাখরুক জানান, এলপি ২৩শ আর টোটাল ২৪ টাকায় বিক্রি করছি। কায়সার নামে গ্যাস বিক্রেতা এলপি ২ হাজার টাকায় বিক্রি করার কথা জানায়।স্টেশনে হুমায়ুনের গ্যাসের দোকানের দায়িত্বশীল সাহেদ জানান, দুইদিন হচ্ছে দোকানে গ্যাস নেই, পাচ্ছিনা। টমটম চালক ফোরকান জানান, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারনে আপাততঃ সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন না বলে জানিয়েছেন।পেট্রোম্যাক্স গ্যাস ডিলার আইয়ুবের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি ১৯শত টাকায় গ্যাস বিক্রির কথা জানান।অন্যদিকে বহু বাসাবাড়ীতে বাধ্য হয়ে রাইস কুকার, বৈদ্যুতিক চুলা ও গ্রামীন মাটির চুলা ব্যবহার করে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে।এক গৃহবধু জানান, পূর্বে সিলিন্ডার ব্যবহার করতাম। বেশি দামের কারনে এখন মাটির চুলা ব্যবহার করে যাচ্ছি। এরকম বহু পরিবারের একই অবস্থা। একাধিক ভোক্তারা জানান, বাসাবাড়িতে রান্নার একমাত্র ভরসা গ্যাস। অতিরিক্ত দামের ফলে অনেক পরিবার চরম বিপাকে পড়েন। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠেছে। তদন্ত পূর্বক অভিযানের দাবীও করেন তারা।