নিজস্ব প্রতিনিধি ঈদগাঁও
ক্রীড়া মেধার অন্বেষণে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ (২০২৫-২৬) প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে অংশ নিয়ে কক্সবাজার জেলা থেকে ফুটবলে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে বিকেএসপির ৪০ দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণের ডাক পেয়েছেন মো. আশরাফুল ইসলাম প্রকাশ জিদান। তার এই অসাধারণ অর্জনে আনন্দিত ও গর্বিত পুরো জেলাবাসী। ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণে অংশ নিতে ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ছেড়েছেন এই উদীয়মান ক্ষুদে ফুটবলার।জিদান ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের নাপিতখালী এলাকার সাবেক কৃতি ফুটবলার নুরুল হাকিমের পুত্র এবং স্থানীয় নাপিতখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।তার পরিবারটি মূলত একটি ক্রীড়াপ্রেমী পরিবার। পরিবারের সূত্র ধরেই তার ফুটবলে হাতেখড়ি হয়। তার বাবা ও চাচারা যুগ যুগ ধরে জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে ফুটবলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। পরিবারের বড় চাচা অধ্যাপক আবুল কাশেম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্রথম শ্রেণির রেফারি। অপর চাচা জসিম উদ্দীন ও নাছির উদ্দীন সাবেক ফুটবলার।এছাড়া আরেক চাচা মাস্টার ছৈয়দ করিম জাতীয় পর্যায়ের ক্লাব শেখ জামাল ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন। তিনি বর্তমানে একজন সাবেক জাতীয় ফুটবল রেফারি ও বাঁশকাটা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি।বাবার ও চাচাদের রক্তে থাকা ফুটবলীয় উত্তরাধিকার সূত্রে মিডফিল্ডার পজিশনে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে আসছে জিদান। শিশুকাল থেকেই স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের ইউনিয়ন ভিত্তিক টুর্নামেন্টগুলোতে তার খেলা নজর কাড়ে ক্রীড়ামোদীদের। অবশেষে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নিজের প্রতিভা ফুটিয়ে তুলে কক্সবাজার জেলা থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে বিকেএসপিতে জায়গা করে নিলেন এই ক্ষুদে ফুটবল তারকা।সাবেক স্বনামধন্য ফুটবলার ছৈয়দ করিমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জিদানের জন্য দোয়া চেয়েছেন। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ফুটবলের প্রশিক্ষন শুরু হয়েছে তার। বতমানে জিদানকে খুলনায় নেওয়া হয়েছে। বিকেএসপির এই প্রশিক্ষণ শেষ করে জিদান যেন ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে পারে।