ডেস্ক :
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-কেডিএ চেয়ারম্যান এড. এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, নগরীর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর উপচেপড়া ভিড়ের কারণে তিল ধারণের ঠাঁই নেই, যা পরিস্থিতিকে একটি বড় মানবিক সংকটে পরিণত হয়েছে। ডেঙ্গুর মতো মারাত্মক সংকট মোকাবিলায় কেবল সরকারি বা কোনো একক সংস্থার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। এটি মোকাবিলায় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে বর্তমান সরকার বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তবে এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। নগরবাসীকে নিজ নিজ বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহবান জানান। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কেডিএ’র উদ্যোগে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশক নিধন অভিযানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মহানগর বিএনপি’র সভাপতি আরও বলেন, এডিস মশা কোনো নোংরা ড্রেন বা নর্দমায় জন্মায় না; এটি জন্মায় আমাদের বাসা-বাড়ির চারপাশে জমা হওয়া পরিষ্কার পানিতে। টব, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র বা এয়ার কন্ডিশনারের জমানো পানি ৩ দিনের বেশি থাকলে সেখানে এডিস মশা বংশ বৃদ্ধি করে। তাই আমাদের স্লোগান হওয়া উচিত “সপ্তাহে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন।”এ সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন কেডিএ’র সদস্য (এস্টেট) মোঃ ইকবাল হোসেন (উপ-সচিব), সদস্য (উন্নয়ন) রুহুল আমিন কুতুবুদ্দিন আহমাদ, পরিচালক (এস্টেট) ড. জাকিয়া সুলতানা, তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মজিবুর রহমান, স্থপতি জিনিয়া হক পিংকি, সিনিয়র বৈষয়িক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ্ কবি সাদ, পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ তানভীর আহমেদ, উপ-পরিচালক মোঃ মামুনুল আবেদীন, মোঃ ইজাদুর রহমান, অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সাঈদুল হক, উপ-পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলাম, অর্থরাইজড অফিসার মোরতোজা আল মামুন ও নির্বাহী প্রকৌশলী (রক্ষণাবেক্ষণ) মুনতাসির মামুন প্রমুখ।