শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু, খুলনা ফুলতলা
তীব্র গরমে খুলনা ও বরিশাল বিভাগ সহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুতের ঘাটতি চরমে পৌঁছেছে,গতকাল রবিবার দুপুর ১ টায় ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ( ওজোপাডিকো ) এলাকায় সর্বমোট ২৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি ওজোপাডিকোর আওতাধীন এলাকা গুলোতে মোট ৮০৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না মেলায় নগরী থেকে শুরু করে ফুলতলা প্রত্যন্ত অঞ্চল ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রান্তে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন গ্রাহকরা, ওজোপাডিকোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পিক আওয়ারে সার্বিক চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কম পাওয়ায় এই বিপুল পরিমাণ লোড সেটিং দিতে হচ্ছে, খুলনা অঞ্চলে ৬২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে জাতীয় গ্রিট থেকে সরবরাহ পাওয়া গেছে ৪৫৬ মেগাওয়াট, ফলে এই অঞ্চলে ঘাটতি বা লোডশেডিং এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬৯ মেগাওয়াটে, অন্যদিকে বরিশাল অঞ্চলে ১৮২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া গেছে মাত্র ১১১ মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল ৭০ মেগাওয়াট, গ্রাহকরা বলেন, দিনে- রাতে কতবার যে বিদ্যুৎ যায় আর আসে, তার কোন হিসাব নেই, ঘন্টা মেপে মেপে লোডশেডিং চালাছে, এই ভ্যাপসা গরমে ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে, ছোট বাচ্চা আর বৃদ্ধদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছি, শহরের ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকে, তাহলে গ্রামগঞ্জের অবস্থা কি তা সহজেই বোঝা যায়, বিদ্যুতের অভাবে পড়াশোনা বা দৈনন্দিন কোন কাজ ঠিক মত করা যাচ্ছে না, জেলা ও ফুলতলা বাজারে ও একটু একটু দেখা মিলেছে বিদ্যুৎতের পায়গ্রামে কসবায় সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের পর আর বিদ্যুৎ দেখা মেলেনি রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে দেখা মিলেছে, জেলা ও এলাকা ভিত্তিক হিসেবে দেখা গেছে সবচেয়ে বেশি লোড সেটিং এর কবলে পড়েছে খুলনা জেলা এখানে একাই ৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিং এ দিতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ, দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বরিশাল জেলা, সেখানে লোডশেডিং এর পরিমাণ ৪৬ মেগাওয়াট, এছাড়া কুষ্টিয়া ২৩ মেগা ওয়াট, রাজবাড়ীতে ১৭ মেগাওয়াট, এবং ঝিনাইদহে ১৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, ফুলতলা বাজারের ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছে, অন্যদিকে ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারনে, নানা দিক লোকসানের সম্মুখীন হোতে হচ্ছে,