মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম :
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, জলাশয় দখল করে কৃষক ও মৎস্যজীবীর অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না। জনগণের হক জনগণকেই দিতে হবে।রবিবার (১৬ আগস্ট ২০২৬) রূপসা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় ও জাতীয় মৎস্য পক্ষ রূপসা উদযাপন কমিটির আয়োজনে রূপসা উপজেলা মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।এমপি হেলাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সরকার জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, কৃষি ও মৎস্যখাতের উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের মৎস্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করতে যা করা প্রয়োজন, সরকার তা করবে। মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছের প্রজনন ও জলজ সম্পদ রক্ষা এবং মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডসহ সরকারের বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি প্রকৃত যোগ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "কে কোন দলের কৃষক, কার রাজনৈতিক পরিচয় কী এসব বিবেচনা করা যাবে না। যে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে যোগ্য, তাকেই সরকারি সুবিধা দিতে হবে। জনগণের হক জনগণকেই দিতে হবে।জলাশয় দখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে এমপি বলেন, খাল-বিল, নদী ও জলাশয় কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এগুলো সাধারণ মানুষের সম্পদ। তাই জলাশয় দখল করে কৃষক ও মৎস্যজীবীর অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার জলাশয় দখলমুক্ত রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।তিনি আরও বলেন, আমরা উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ ছাড়ব, মাছের উৎপাদন বাড়াব, আর কেউ সেই জলাশয় দখল করে সেই মাছ ভোগ করবে এটা হতে পারে না। সে যত বড় নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তিই হোক, জনগণের সম্পদ দখল করে রাখার অধিকার কারোর নেই।বক্তব্য শেষে তিনি দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে ও ঘাটভোগ ইউনিয়নের নড়নীয়া বিলে মোট ১২০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম। স্বাগত বক্তৃতা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতিকনা দাস।বিশেষ অতিথি ছিলেন রূপসা থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আব্দুস সবুর খান, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, এনামুল কবীর সজল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান,সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য আনিসুজ্জামান আনিস,আরিফুর রহমান আরিফ, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম,আছাফুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, জেলা মহিলাদলের সাধারন সম্পাদক সেতারা বেগম, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, জেলা মহিলাদলের সিনিয়র সহ- সভাপতি শাহানাজ ইসলাম,উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রয়েল আজম, বিএনপি নেতা এসএম আ. মালেক, খান আনোয়ার হোসেন, মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, মিকাইল বিশ্বাস, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, জিয়াউল ইসলাম বিশ্বাস, ইলিয়াজ হোসেন,জেলা মহিলাদের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মনিরা বেগম, বাদশা জমাদ্দার, সাইফুল ইসলাম পাইক, আবুল কাশেম কালা, মহিতোষ ভট্টাচার্য, সৈয়দ মাহমুদ আলী, শামীম হাসান" সহ উপজেলা প্রশাসন ও বিএনপির সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।