ডেস্ক :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের মনোনয়নপত্র জমা দিতে নির্বাচন কমিশনে গেছেন জোটের শীর্ষ নেতারা।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলানগরে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে অলি আহমদের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান ১১ দলীয় ঐক্যজোটের একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দেন জোটের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ।প্রতিনিধি দলে জোটের শরিক বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন মোহাম্মদ কামাল হোসেন, আব্দুল বাতেন, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান ও মোস্তফিজুর রহমান ইরানসহ অন্য নেতারা।আগেই ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জোটের প্রার্থী হিসেবে অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় আজ তার মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হচ্ছে।জোটের নেতারা বলছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের প্রার্থিতা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক পরিবেশ তৈরি করবে। তাদের প্রত্যাশা, একাধিক প্রার্থী থাকলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে জাতীয় সংসদে কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাবে।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল চারটা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। এরপর ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে চাইলে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত সেই সুযোগ থাকবে।একাধিক বৈধ প্রার্থী থাকলে আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেন।অলি আহমদ এলডিপির চেয়ারম্যান এবং সাবেক মন্ত্রী। ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর থেকেই এ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। আজ মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার মধ্য দিয়ে তার প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল।মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করবে। যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা এবং কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করছেন কি না, তার ওপর নির্ভর করবে ২০ আগস্ট সংসদে ভোটের প্রয়োজন হবে কি না।