নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
ঈদগাঁও বাজারসহ পাড়া-মহল্লা দোকান পাঠে বিক্রি হচ্ছে ক্ষতিকর পন্য। সরকারী নিদর্শনাও মানছেনা অসাধু ব্যবসায়ী। মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর,মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটি ব্যবহার দায়ে ৩ প্রতিষ্ঠানের ইস্ট ব্রেকারসহ তিনটি পন্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। জানা যায়, নির্দেশনাকে তোয়াক্কা না করে এখনো পর্যন্ত ঈদগাঁও বাজারে বিক্রি চলছে এ ক্ষতিকর পণ্যের। বাজারের ডিসি সড়কে বিভিন্ন চা-দোকান, পাইপ বাজার,বাঁশঘাটা, স্টেশন বাজারের দক্ষিণ অংশেসহ গ্রামীন জনপদের নানা দোকানপাঠে। অধিকাংশই মুদির দোকান, টং দোকান ও কুলিং কর্ণারে দেখা মেলে এসব পণ্যের।বাজারের দক্ষিণ অংশে এক কুলিং কর্ণারে ইস্ট বেকার পাউরুটি দেখা মাত্র জিজ্ঞেসা করা হলে দোকানদার তার উত্তরে বলেন- সেলম্যানকে বলা হয়েছে পন্যটি নিয়ে যেতে আরেক কুলিং কর্ণার ব্যবসায়ী বলেন, পন্যে বিক্রি বন্ধে নিদর্শনা দেওয়ার পর থেকে দোকানে ক্ষতিকর এসব পন্য আর অর্ডার করছিনা।একজন চা দোকানদার বলেন, ইস্ট বেকার পন্যেটির চাহিদা প্রচুর। সুস্বাদু আর খেতে মজাদার বটে। প্রায় প্রতিদিন বেশ সংখ্যক প্যাকেট বিক্রি করা হতো।অসাধু ব্যবসায়ী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে সেলসম্যান দিয়ে বিপনন বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের তদারকি না থাকায় এই পণ্য বিক্রি হচ্ছে দোকানপাঠে। ভোক্তারা জানান, ইষ্ট বেকার ও কেক সব শ্রেনীপেশার মানুষের পছন্দের। পাউরুটির ভেতরে জেলি থাকায় সবাই খেতে চাই। জেলিসহ দুই পিচ পাউরুটি ১৫ টাকা। দামে কম, কিন্তু স্বাদে ভরা। সচেতন মহল জানান,ডিলারের মাধ্যমে সেলসম্যানেরা নিষিদ্ধ পন্যগুলো দোকানে বিক্রি করার সাহস কিভাবে পাচ্ছে? সেটি খতিয়ে দেখা উচিত। সে সাথে অভিযানের মাধ্যমে পন্য জব্দ করে তাদের বিরুদ্ধে আই নানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী। উল্লেখ্য যে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক জরুরী প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ এ আদেশ জারী করেন।