ডেস্ক :
শীর্ষ সংবিধানিক পদ ‘রাষ্ট্রপতি’ নিয়ে নতুন করে আলোচনা—ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন মো. সাহাবুদ্দিন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল তিনি ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবি উঠলেও স্বপদে বহাল ছিলেন। সংসদেও এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়। যদিও গত বছর ডিসেম্বরে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অপমানিতবোধ করার কথা জানান সাহাবুদ্দিন। নির্বাচনের পর ফেব্রুয়ারিতে একটি দৈনিক পত্রিকাকে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সরকার চাইলে থাকবেন, না হলে সম্মানজনকভাবেই সরে যেতে চান।এমন নানাবিধ ঘটনাপ্রবাহের পর স্বাস্থ্যগত বা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়টি তার পারিবারিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানো এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কোনো কারণে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে চাইলে, সে সাংবিধানিক সুযোগ ও পথ খোলা আছে। লন্ডনে চিকিৎসাধীন থাকার সময় ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সাথে রাষ্ট্রপতির ফোনালাপ বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাইলে, এ বিষয়ে জানা নেই বলে জানান তিনি। পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন, এ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণিসহ আলোচনায় বেশ কয়েকজন আমলা ও বিএনপির সিনিয়র নেতার নাম। যদিও এ নিয়ে মুখ খুলছে না বিএনপির কোন নীতি-নির্ধারক। তবে নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, দু-এক দিনের মধ্যেই সে বিষয়ে পরিষ্কার বার্তা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সূত্র।