মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম :
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ঠেকাতে সতর্ক করেছেন খুলনা জজ কোর্টের আইনজীবী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা এবং জনপ্রতিনিধিরা।খুলনা জজ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মিনা মিজানুর রহমান বলেন, নির্বাচন কমিশন মনোনয়নের সময় প্রার্থীর সব সনদ যাচাই করে। যাচাই না করে কারো শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা ঠিক নয়।খুলনা জজ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রার্থীর যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ থাকলে প্রমাণসহ নির্বাচন অফিসে লিখিত অভিযোগ দিতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার আইনগতভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ।খুলনা জজ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট রাহান আহমেদ বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে কারো মানহানি করলে ভুক্তভোগী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে পারেন। দায়িত্বশীলদের এ বিষয়ে আরও সতর্ক হতে হবে।খুলনা জজ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মিরাজ আহমেদ বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে গুজব ও অপপ্রচার বন্ধ করা জরুরি। ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে।খুলনা জজ কোর্টের আইনজীবী মো. জামাল উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল তথ্য ছাড়া কোনো পোস্ট শেয়ার করা উচিত নয়। গুজবে কান দিলে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।খুলনা জজ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট দিপ্তী রানী বলেন, নারী প্রার্থীদের নিয়ে অনেক সময় ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হয়। এর বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।খুলনা জজ কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট বিশ্বজিৎ তরফদার বলেন, আইন সবার জন্য সমান। প্রার্থীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হবে, ফেসবুকে বিচার নয়।এছাড়া রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের বাসিন্দা মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা সরাসরি সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তাই মিথ্যা তথ্য, গুজব ছড়িয়ে নিজেকে সমাজের নিকট ছোট করবেন না। অনুরোধ রইল।আইনজীবী ও স্থানীয়রা সকলেই একমত, ইউপি নির্বাচনকে কলুষিত করতে মিথ্যা নিউজ থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে যারা দায়িত্বশীল তাদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ।