ডেস্ক :
খুলনা - সাতক্ষীরা মহাসড়কের ঠিকরাবন্দ এলাকায় ভঙ্গুর - ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে গত ০৭ জুলাই সড়ক দুর্ঘটনায় ৩জন নিহতের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন খুলনা নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যডঃ মোঃ বাবুল হাওলাদার, খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য যথাক্রমে দৈনিক কালের কন্ঠ এর খুলনা ব্যুরো চীফ এইচ এম আলাউদ্দিন, কবি নাজমুল তারেক তুষার, দেশ আহমেদ রাজু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। স্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডঃ শেখ শাহাবুদ্দীন, ব্যবসায়ী অজিত কুমার সাহা, মোঃ মোশাররফ হোসেন, অবঃ পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ আছাদুজ্জামান, ঠিকাদার মোঃ বাবুল শেখ, মোঃ গোলাম মিঞা, মোঃ রাজু, শিক্ষক মোঃ আবুল হোসেন আকিব, মোঃ আসলাম হোসেন সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।এসময়ে দুর্ঘটনার প্রতক্ষদর্শীরা বলেন, দুর্ঘটনা স্থলের আনুমানিক ৫০০ মিটার সড়ক সংস্কার বিহীন থাকায় তেলভর্তি ড্রামবাহী ট্রাক সড়কের উঁচু স্থান থেকে ভঙ্গুর সড়কের নিচুতে নামার সময় পাশ দিয়ে যাওয়া ইজিবাইকের উপর ড্রাম পড়ে ইজিবাইকটি চাপা পড়লে ইজিবাইকে থাকা যাত্রীদের মধ্যে ২জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজন নিহত হন। নেতৃবৃন্দ সড়কের বেহাল অবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের দুই পাশ সংস্কার করা হলেও মাঝখানে কিছু জায়গা সংস্কার বিহীন অবস্থায় থাকায় মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ কেন এমন দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজটি করলো এটি আমাদের সামনে একটি বড় প্রশ্ন। সংশ্লিষ্টদের অবহেলা জনিত কারণে এ মৃত্যুর দায় কোনোভাবেই তাদের এড়ানোর সুযোগ নেই। এটি রীতিমতো একটি ফৌজদারী অপরাধ। এসময়ে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, প্রতিনিয়তই এখানে ছোট- বড় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। বিশেষ করে মোটর সাইকেল, ইজিবাইক উল্টে পড়ে যায়। যাত্রীরা বিভিন্নভাবে আহত হন। নেতৃবৃন্দ দ্রুত সময়ের মধ্যে দুর্ঘটনা কবলিত, ঝুঁকি পূর্ণ এ সড়ক সংস্কার করার আহবান জানিয়ে বলেন, এর সঙ্গে কোনো দুর্নীতি জড়িত থাকলে তা খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় এলাকার ভুক্তভোগীদের সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। পরিদর্শন কালে ৭ জুলাইয়ের দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সকলে।