নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদের একটি গ্রামের নাম আউলিয়াবাদ। থানার পার্শ্ববর্তী এলাকাটি এখন রূপ নিল মাদকের হাটে। অপরাধ জগতের নেপথ্যে রয়েছে একজন নারী, যাকে স্থানীয়রা চেনে গাঞ্জা বেপারি নামে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন চিহ্নিত এ ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’। ইতিপূর্বে মাদকের চালানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলেও জামিনে এসে ইসলামাবাদ আউলিয়াবাদের আশপাশের এলাকায় নিজের শক্তিশালী মাদক নেটওয়ার্ক সক্রিয় করে তুলেছেন এ নারী। তার এই মাদক বাণিজ্যের পেছনে স্থানীয় চক্র কাজ করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি এই অঞ্চলের গাঁজা ব্যবসার মূল হোতা। জানা যায়,গাঞ্জা বেপারি এ নারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক মামলা রয়েছে। বারবার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জালে আটক হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি দ্বিগুণ উৎসাহে এই অবৈধ কারবার শুরু করেন। গত মে মাসেও ৬০ গ্রাম গাঞ্জা, নগদ ৬০ হাজার টাকাসহ পুলিশের বিশেষ বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার কয়দিন পরপরেই জামিনে বেরিয়ে আসে। বর্তমানে তিনি কারাগারের বাইরে অবস্থান করায় আউলিয়াবাদ ও সংলগ্ন এলাকায় মাদক কেনাবেচা উঠতি বয়সের তরুণদের মাদকাসক্তি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। এতে করে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে তরুন,যুবসমাজ।একজন সিনিয়র সাংবাদিক তাঁর ফেইসবুকে লিখেছেন-দৃষ্টি আকর্ষণ কক্সবাজারের ঈদগাহ থানার ওসি- ডুলাফকিরের রাস্তার মাথায় এক নারী ইয়াবার দোকান খুলেছে। খুচরায় প্রতি পিচ ১৭০ টাকা। এতে স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তাদের সন্তানদের নিয়ে।এলাকাবাসীর দাবি,শুধু গ্রেফতার বা মামলা দিয়ে মাদক সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে হলে নিয়মিত কঠোর নজরদারি এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত পূর্বক আইনের আওতায় আনা জরুরি। প্রশাসন এই ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’র বিরুদ্ধে স্থায়ী কি পদক্ষেপ নেয়। সেটি এখন দেখার পালা।সচেতন মহলের মতে, নেপথ্যে শক্তিশালী সিন্ডিকেটে কে বা কারা কাজ করছে তাদের খুঁজে বের করতে না পরলে মাদক নিমূল সম্ভব নয়। কারা গাঞ্জা বেপারি নামে এ নারী কে সাহস যুগিয়ে যাচ্ছে, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।