নিজস্ব প্রতিবেদক :
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নবাগত ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। ১৪ জুন ২০২৬ রবিবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স ক্লাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস. এম. মাহবুবুর রহমান । তিনি তাঁর বক্তব্যে নবাগত ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং তাদের পেশাগত জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে সকলকে নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সভাপতিত্ব করেন এস. এম. শারাফাত আলী (পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক) সঞ্চালক করেন এস. এম. মোহাম্মাদ আলী (সাধারণ সম্পাদক, অফিসার্স কল্যাণ পরিষদ) উপস্থিত কর্মকর্তা ও অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন উপ-রেজিস্ট্রার ও শাখা প্রধানগণ মোহাম্মদ গোলজার হোসেন (উপ-রেজিস্ট্রার ও শাখা প্রধান, সংস্থাপন-০২) মিসেস রেশমা আক্তার (উপ-রেজিস্ট্রার ও শাখা প্রধান, সংস্থাপন-০৩)নাহিদ পারভীন (উপ-রেজিস্ট্রার ও শাখা প্রধান, একাডেমিক শাখা-০১) কাকলি রহমান (উপ-রেজিস্ট্রার ও শাখা প্রধান একাডেমিক শাখা-০২) মোঃ আসিক সিদ্দিকী (উপ-রেজিস্ট্রার ও প্রধান, কাউন্সিল শাখা) দীপক চন্দ্র মন্ডল (উপ-রেজিস্ট্রার) শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ (উপ-রেজিস্ট্রার) মোঃ আতিয়ার রহমান (উপ-রেজিস্ট্রার) অন্যান্য দপ্তর প্রধান ও কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ শাহানুর কবীর অয়ন (প্রধান, অডিট শাখা)ডাঃ কানিজ ফাহমিদা (প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা) সহকারী রেজিস্ট্রার ও অন্যান্য কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ কামরুজ্জামান তুহিন, সালেহা পারভেজ, মোঃ আজিজুর রহমান শেখ, এবং মোঃ নজরুল ইসলাম (সহকারী রেজিস্ট্রার)গণেশ চন্দ্র পাল (চিফ কম্পাউন্ডার) মোঃ আবুল কালাম আজাদ এবং এ. এস. এম. শাহরিয়ার সুমন (সেকশন অফিসার) অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ও তাৎপর্য অনুষ্ঠানে নবাগত ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি মিলনমেলায় পরিণত হয়। উপস্থিত সকলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের আয়োজন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যকার পারস্পরিক আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য এবং পেশাগত বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।