শেখ নাসির উদ্দীন, খুলনাঃ
জাতীয় শিক্ষক ফোরাম এর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল প্রভাষক ডা. আবদুস সবুর বলেছেন, দেশের মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৃত্য,নাট্যকলা,সংগীত,চারুকলা চালুর সিদ্ধান্ত সরকারের জন্য বুমেরাং হবে। ধর্মীয় চেতনার আলোকে পারিবারিকভাবে বেড়ে উঠা কোমলপ্রাণ মুসলিম শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতেই হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি উপর্যুক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল করে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ এর দাবি জানান। শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়স্ত অবস্থিত জাতীয় শিক্ষক ফোরাম এর জেলা কার্যালয়ে নগর ও জেলা কমিটির দায়িত্বশীলদের সাথে মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত কথা বলেন। জাতীয় শিক্ষক সমিতি খুলনা মহানগর সভাপতি জিএম এমদাদুল হক এর সভাপতিত্বে ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন মল্লিক এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল আরও বলেন,মন্ত্রণালয়ে ঘাপটি মেরে থাকা বিগত ফাসিস্ট সরকারের দোসররা নীল নকশা বাস্তবায়নের অংশ সরকারকে বিভ্রান্ত করতে সংস্কৃতির নামে অপসংস্কৃতি চাপিয়ে দিতে উস্কানি দিচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। তিনি আরও বলেন,প্রাথমিক এবং মাধ্যমিকে খেলাধুলা এখন যেমন শিক্ষাসহায়ক কার্যক্রম হিসেবে রয়েছে, তেমন থাকতে অসুবিধা কোথায়? যার ইচ্ছা এতে অংশ নিবে। যার ইচ্ছা এতে অংশ নিবে না। খেলাধুলা চাপিয়ে দেয়ার মধ্যেই সন্দেহ ও সমস্যা।ধর্মীয় বা অন্য কোনো কারণে যারা খেলাধুলা করতে চাইবে না, তাদেরকে বাধ্য করবেন কেন? খেলাধুলা না করলে তাকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেবেন? ইসলামের ফরজ বিধান পর্দা পালনকারী কোনো নারী শিক্ষার্থী খেলাধুলা করতে না চাইলে তাকে জোর করবেন কোন্ যুক্তিতে?। এবিষয়ে ধর্নীয় মূল্যবোধের সরকারকে অতিদ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।তিনি, দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যাবোধ,বিশ্বাস এর বিপরীতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ ও হস্তক্ষেপ কামনা করেন।মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সহ-সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম জেলা সভাপতি মাওঃ মাহবুবুল আলম, মোঃ মোস্তাক আহমেদ, শেখ শহিদুল ইসলাম, মোঃ হুমায়ূন কবীর, মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, মুফতী নাইমুর রহমান, মাওলানা আরিফ বিল্লাহ, আব্দুল্লাহ আল নোমান, মোঃ আব্দুল আজীজ, মোঃ গাজী কামাল হোসেন, মোঃ সিফাতুল্লাহ, মোঃ আবুল হুসাইন, মোঃ মোস্তফা কামাল, মোঃ রাসেল কবির, মোঃ কামরুজ্জামান, মোঃ শামীম মোল্যা, মো: আবু মুছা, মোঃ রাইহান শেখ প্রমূখ। সভায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।