ডেস্ক রিপোর্ট :
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে কওমি মাদরাসা, আলেম-উলামা ও দ্বীনি শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার ও নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধীর বিচার হওয়া উচিত—এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই। তবে বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে সমগ্র কওমি মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা, লক্ষাধিক শিক্ষার্থী এবং আলেম-উলামাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা ন্যায়বিচার ও বস্তুনিষ্ঠতার পরিপন্থী।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, কওমি মাদরাসা দীর্ঘদিন ধরে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষা, নৈতিক চরিত্র গঠন এবং সমাজে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অতীতে বিভিন্ন সময়ে নানা অপবাদ দিয়ে কওমি মাদরাসাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে; বর্তমানেও একই ধরনের অপপ্রচার লক্ষ্য করা যাচ্ছে।খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ দেশের গণমাধ্যম, সচেতন নাগরিক ও সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি আহ্বান জানায়, যেন তথ্য-প্রমাণ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে অবস্থান গ্রহণ করা হয় এবং কোনো ধরনের বিদ্বেষমূলক প্রচারণা বা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টায় অংশগ্রহণ না করা হয়।বিবৃতিদাতাগণ বলেন, অপরাধীর বিচার হোক, তবে কওমি মাদরাসা ও দ্বীনি শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে।বিবৃতিদাতাগণ:মাওলানা গোলাম কিবরিয়া — সাধারণ সম্পাদক,মাওলানা অধ্যক্ষ এ.এফ.এম. নাজমুস সউদ — যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,মোল্লা মেরাজুল হক- প্রচার সম্পাদক, কারী হাবিবুল্লাহ বেলাল — অর্থ সম্পাদক,মাওলানা জাহিদুল ইসলাম,মাওলানা জাহিদুল হক,মাওলানা নূর শাহিদ জালালী, মোল্লা মেরাজুল হক প্রচার সম্পাদক খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ।