তালা সাতক্ষীরার প্রতিনিধি:-
শুক্রবার ৫ জুন সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে পাটকেলঘাটার কপোতাক্ষ সংলগ্ন ইকো পার্কে অঞ্জনা নামের একটি গৃহবধূর বি*ষ সেবন করা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় কিছু যুবক,সঙ্গে সঙ্গে পাটকেলঘাটার সেবা ক্লিনিকে নিয়ে যান ওই স্থানীয় যুবকরা।কিন্তু সেবা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রুগীটিকে ক্রিটিক্যাল বলে অন্যত্রে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।পরবর্তীতে রুগীটিকে পাটকেলঘাটার স্বাগতা ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে স্বাগতা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষও রুগীটিকে ক্রিটিকাল বলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন কিন্তু প্রাথমিক ট্রিটমেন্ট টুকুও দেওয়া হয়নি।প্রকৃত পক্ষে স্থানীয় ওই যুবকরা উক্ত রুগীটিকে নিয়ে আসছিলেন তিন চাকার ভ্যানে করে,তাহলে এখানে স্থানীয় লোকজন এবং সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মন্তব্য হলো রুগীটি যদি প্রকৃতপক্ষে মারাত্মক ক্রিটিকালি হবে তাহলে তিন চাকার ভ্যানে করেই সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া তো আদেও সম্ভব ছিল না,উক্ত সময় পাটকেলঘাটা স্বাগতা ক্লিনিকের এম্বুলেন্স টিতো স্বাগতা ক্লিনিকের সামনে ঘটনা স্থানে ছিল তাহলে কেন এম্বুলেন্সে করে উক্ত ক্রিটিকাল রুগীটিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হলো না..??স্থানীয় লোকজন এবং ওই যুবকদের দাবি উক্ত বি*ষ সেবন করা অঞ্জনার স্বজনরা সঙ্গে না থাকায় খরচ দিবে কে ..??এমনটাই ভেবে উক্ত ২ ক্লিনিক তাদের প্রাথমিক সেবাটাও প্রদান করেননি এমনটাই দাবি করেন স্থানীয় লোকজন। তাহলে কি জীবন মৃ*ত্যু*র সন্ধিক্ষণেও টাকাটাই বড় হলো..??পরবর্তীতে রুগিটিকে ওই অবস্থায় পাটকেলঘাটার বলফিল্ড মোড় সংলগ্ন পপুলার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গেলে অত্র প্রতিষ্ঠানের ডাইরেক্টর ও পাটকেলঘাটা হারুনুর রশি ডিগ্রি কলেজের ইংলিশ অধ্যাপক সাংবাদিক নাজমুল ইসলাম সঙ্গে সঙ্গে রুগীটিকে ভর্তি করে ট্রিটমেন্ট দিচ্ছেন বর্তমান রুগিটি পাটকেলঘাটার পপুলার ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।রুগীর অবস্থা অনেকটাই ভালো এবং স্বাভাবিক বলে দাবি করেন ডাইরেক্টর নাজমুল ইসলাম এবং রুগীর স্বজনরা।এ সময় রুগীর সঙ্গে একটি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগের কপিও পাওয়া যায় যেটি বিবাহ সম্পর্কিত তার স্বামী সম্রাট দাসের বিরুদ্ধে।অঞ্জনার বাসা পাটকেলঘাটার ইসলামকাটী গ্রামে।টাকাই সব নয় মানবতাই বড় দৃষ্টান্ত উদাহরন।