স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা:
ডুমুরিয়ায় ভদ্রা নদী খননের সরকারি মাটি বিনা টেন্ডারে বিক্রি করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মাটি খেকো রফিক নামে এক ব্যক্তি। এ যেন দেখার কেউ নেই ? তবে প্রশাসন বলছে ব্যবস্থা নেয়া হবে।সরেজমিনে গিয়ে একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার শোভনা ও খর্ণিয়া ইউনিয়নে ২৫ ও ২৬ নং পোল্ডারের আওতায় ভদ্রানদী খননের লক্ষ লক্ষ ঘনফুট সরকারি মাটির স্তূপ রয়েছে। সম্প্রতি ভদ্রানদীর উপর শোভনা -ভদ্রদিয়া নির্মাণাধীন নতুন ব্রীজের দু'পাশে নদীর ওই স্তূপকৃত মাটি রাতের অন্ধকারে খর্ণিয়া পাঁচপোতা এলাকার মাটি খেকো রফিক স্কেভেটর মেশিন দিয়ে ডাম্পার ট্রাক ভর্তি করে ট্রাক প্রতি দেড় থেকে দুই হাজার টাকা করে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। শুধু তাই নয় ব্রীজের নিচে নদী খনন করেও ওই মাটি অন্যত্র বিক্রি করছেন দেদারসে।আর এ সুযোগে কৃষি জমি ভরাট করে নিচ্ছে শোভনা পশ্চিম পাড়া এলাকার জলিল শেখ, সাগর মোল্লা,কমল পশারী। পাশে আনিস ফকির নিচ্ছে বাড়ির উঠান ভরাট, বসে নেই পশুপতি বিশ্বাসের পুকুর ভরাটও। এতে একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব অন্যদিকে কৃষি জমি ভরাট করায় পরিবেশ হচ্ছে বিপর্যস্ত। কথা হয় কৃষক আব্দুল জলিল, ভুট্টো শেখ সহ অনেকের সাথে।তারা অভিযোগ করে বলেন, রাতের আঁধারে নদীর মাটি ট্রাক ভর্তি করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করছে ওই রফিক। আমরা সরকারী মাটি নিতে নিষেধ করলে সে বলে আমি উপরের নির্দেশে মাটি বিক্রি করছি।এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কৃষ্ণানেন্দু বিকাশ বলেন, আমাদের কাজ নদীর নাব্যতা রক্ষা ও নদী সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়। মাটির ব্যাপারে ইউএনও সাথে কথা বলেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবিতা সরকার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস কে একাধিক বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিবো।