ডেস্ক :
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কাজী রাশিদুল ইসলাম রাশেদ নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ওই তিনজনসহ ৭ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে লবণচরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন রাশের বাবা বাবা কাজী আনিসুর রহমান। গ্রেপ্তার তিন জন হলেন মন্টু হাওলাদার, মুসা গাজী ও মিরাজ।এর আগে চলতি বছরের ১৯ মার্চ সকালে বাড়িতে কাজী রাশিদুলের বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। সেদিন রাশেদ বাড়িতে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাশেদের মা রঞ্জুয়ারা বেগম, বাবা কাজী আনিসুর রহমান, বড় ভাই রাইসুল ইসলাম ও স্ত্রী ফাহিমা গুলিবিদ্ধ হন।লবণচরা থানার অফিসার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্কুলভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাশেদকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা মঙ্গলবার রাতে ইমরান নামের এক সন্ত্রাসীকে প্রধান আসামি করে ৭ জনের নামে মামলা করেন নিহতের বাবা। রাত থেকেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় তারা ঘটনাস্থলে ছিল।গ্রেনেড বাবুর সহযোগি রাব্বিসহ গ্রেপ্তার ৪।গ্রেনেড বাবুর সহযোগি ও একাধিক মামলার আসমি রাব্বিসহ আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার ভোর রাতে নগরীর গোবরচাকা এলাকার একটি দোকানের সামনে থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ টাকা ও একটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার রাব্বি কৃষ্ণনগর এলাকার বাসিন্দা লুৎফরের ছেলে।গ্রেপ্তারকৃত অন্যান্যরা হলেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানার খোকন কমিশনার কালভার্ট এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আজিজ খানের ছেলে আল আমিন, পাওয়ার হাউজ মোড়ের সোবাহানের বাড়ির ভাড়াটিয়া সেকেন্দার খানের ছেলে রানা খান ও বসুপাড়া এতিমখানার মোড় মিজান ভিলার বাসিন্দা ফেলু শিকাদারের ছেলে স্বপন।