ডেস্ক :
পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা গতকাল সোমবার (২৫ মে) থেকে শুরু হয়েছে। সেই হিসেবে মঙ্গলবার (২৬ মে) পবিত্র হজের দিন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান মিনার তাঁবুর নগরীতে সমবেত হয়ে “লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক” ধ্বনিতে মুখরিত করে তুলেছেন পুরো এলাকা।বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মেলন পবিত্র হজ। আজ প্রভাত থেকে আরাফার আদিগন্ত মরু প্রান্তর এক অলৌকিক পুণ্যময় শুভ্রতায় ভরে উঠেছে। গত রোববার (২৪ মে) এশার নামাজের পর থেকেই হাজিরা ধাপে ধাপে মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। ইহরামের সাদা পোশাকে আল্লাহর দরবারে আত্মসমর্পণের এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে হজ এলাকায়।আজ ফজরের পর গোটা দুনিয়া থেকে আগত ১৫ লক্ষাধিক মুসলমান ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি হজযাত্রীর সংখ্যা ৭৮ হাজারের বেশি।হজের বিধান অনুযায়ী, মিনায় অবস্থান করে হাজিরা হজের মূল পর্বের প্রস্তুতি নেন। এখানে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা এবং ৯ জিলহজের ফজরসহ মোট পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করা সুন্নাত।আগামীকাল ৯ জিলহজ সূর্যোদয়ের পর হাজিরা রওনা হবেন আরাফাতের ময়দানে, যা হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেখানে হজের খুতবা শোনার পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন তারা। পরে মুজদালিফায় গিয়ে একসঙ্গে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় এবং রাতযাপন করবেন হাজিরা।এরপর ১০ জিলহজ মিনায় ফিরে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন এবং ফরজ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ি সম্পন্ন করবেন তারা। ১১ ও ১২ জিলহজ তিন জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা। সবশেষে বিদায়ী তাওয়াফের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে পবিত্র হজ।পবিত্র হজ উপলক্ষে মক্কা, মদিনা, মিনা, আরাফাত ময়দান, মুজদালিফা ও এর আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সৌদি সরকার। মোতায়েন আছে এক লাখের বেশি নিরাপত্তাকর্মী।