এস মেহেদী হাসান,স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা// ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪ নং মাগুরখালী ইউনিয়নে ফ্রি জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী আশিক।আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪ নং মাগুরখালী ইউনিয়নে জনগণের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী দুটি ফ্রি সেবার ঘোষণা দিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জি এম মতিয়ার রহমান আশিক। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রচারণামূলক পোস্টারে তিনি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে বিনামূল্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সহায়তা এবং ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স/জরুরি রোগী পরিবহন সেবা চালুর প্রতিশ্রুতি দেন।প্রচারণামূলক পোস্টারে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়নের অনেক অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে গিয়ে দালাল চক্র, অতিরিক্ত টাকা দাবি এবং নানা জটিলতার মুখোমুখি হন। ফলে সময়মতো নিবন্ধন না হওয়ায় স্কুল ভর্তি, পাসপোর্ট, ভাতা ও বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণে ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এসব সমস্যা দূর করতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিবন্ধন সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন আশিক।এছাড়া সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবাকে আরও সহজলভ্য করতে ইউনিয়নে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি রোগী পরিবহন সেবা চালুর ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলা, দুর্ঘটনা, গর্ভবতী নারী, বৃদ্ধ কিংবা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে দরিদ্র পরিবারগুলোকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক সময় গাড়ি সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে রোগীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যেও পড়তে হয়। এ পরিস্থিতি থেকে মানুষকে স্বস্তি দিতেই এই মানবিক উদ্যোগ নেওয়ার কথা পোস্টারে উল্লেখ করা হয়।পোস্টারে আরও বলা হয়, এসব সেবা চালু হলে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ দালালমুক্তভাবে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে জরুরি মুহূর্তে দ্রুত রোগী হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হওয়ায় অনেক মূল্যবান প্রাণ রক্ষা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও দাবি করা হয়েছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী জি এম মতিয়ার রহমান আশিক বলেন,“মানুষের পাশে থেকে কাজ করাই আমার অঙ্গীকার। ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪ নং মাগুরখালী ইউনিয়নকে একটি সেবামুখী ও জনবান্ধব ইউনিয়নে পরিণত করতে চাই। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সবসময় পাশে থাকতে চাই।”এদিকে স্থানীয়দের অনেকে এ উদ্যোগকে ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন হলে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন এবং জনসেবায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।