মোঃ মমিন আলী নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী ও শ্বশুর পলাতক রয়েছেন। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।২০২২ সালের এপ্রিলে নওগাঁর বক্তারপুর এলাকার সোহেল রানার মেয়ে রেহানার সাথে মহাদেবপুর উপজেলার সুলতানপুর এলাকার রতনের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কনের বাবা সাধ্যমতো নগদ ১ লাখ টাকা এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র দিয়ে ধুমধাম করে মেয়েকে জামাতার হাতে তুলে দেন। তাদের সংসারে ৩ বছরের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে।স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের পর থেকেই বেকার স্বামী রতনের ব্যবসার জন্য রেহানার পরিবারের কাছে ৩ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। কিন্তু দরিদ্র বাবার পক্ষে এই মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া অসম্ভব হওয়ায় রেহানার ওপর প্রায়ই চলতো মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই বাকবিতণ্ডা হতো।এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার (২২ মে) রাতে যৌতুকের টাকার জন্য রেহানার ওপর আবারো চড়াও হয় স্বামী রতন। এতে যোগ দেন রতনের মা জহুরা বেগমও। একপর্যায়ে শক্ত বাঁশ দিয়ে রেহানার মাথায় আঘাত করা হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরও তার ওপর চালানো হয় বেপরোয়া নির্যাতন। ফলশ্রুতিতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন রেহানা।