নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ক্যাম্পাসের খান জাহান আলী হল সংলগ্ন পুকুরে ডুবে সায়েম ফেরদৌস নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আমরাতো আল্লাহর এবং আল্লাহর কাছেই ফিরে যাবো)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার বিভাগের ২০২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার স্টুডেন্ট আইডি নং-২৪২৫০৩০। উল্লেখ্য, নিহত শিক্ষার্থী পাবনা জেলার দিলালপুর পিকে শাহা রোড এলাকার বাসিন্দা মোঃ আব্দুস সামাদের পুত্র।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে কুয়েটের খানজাহান আলী হল সংলগ্ন পুকুরে সাঁতার কাটতে নামেন সায়েম ফেরদৌস। একপর্যায়ে তিনি পানিতে তলিয়ে যান। বিষয়টি টের পেয়ে সহপাঠিরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। প্রায় ২৫ ফুট গভীর পানির নিচে আনুমানিক ২০ থেকে ৩০ মিনিট থাকার পর তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উদ্ধারের পর ডুবুরি দল তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সংবাদ পেয়ে কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ), প্রভোস্ট, রেজিস্ট্রারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে উপস্থিত হন। এসময় তারা নিহত শিক্ষার্থীর পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান।জনসংযোগ কর্মকর্তা (পি.আর.ও) সাহিদুজ্জামান শেখ এ ঘটনার সত্যতা শিকার করে বলেন, এ ঘটনায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোক : কুয়েট শিক্ষার্থী সায়েম ফেরদৌসের মৃত্যুতে বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন বিশ্বদ্যিালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।শিক্ষার্থী সায়েম ফেরদৌসের মৃত্যুতে কুয়েট ক্যাম্পাস জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহপাঠি ও শিক্ষকদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।