মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: প্রথাগত কৃষির বাইরে আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার ও সঠিক পরিচর্যা কীভাবে একজন কৃষককে ভাগ্যের চূড়ায় নিয়ে যেতে পারে, তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের রফিকুল ইসলাম। গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের পূর্ব ব্রাহ্মণগ্রামের নিমদিঘী রোড আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত তার এই নজরকাড়া আমবাগানটি এখন স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম।শিয়ালমারি মাঠে প্রায় ১৩ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলা এই বাগানে রফিকুল ইসলাম চাষ করেছেন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের উন্নতমানের আম। বর্তমানে তার বাগানে: রূপালী ,বারি-৪ কাটিমন জাতের গাছগুলোতে থোকায় থোকায় সুস্বাদু আম ঝুলছে। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং সঠিক নিয়ম মেনে পরিচর্যা করার কারণে বাগানের গাছগুলো যেমন স্বাস্থ্যবান, তেমনি ফলনও হয়েছে চোখে পড়ার মতো।রাস্তার পাশেই এমন মনোরম বাগান দেখে প্রতিদিন পথচারীরা মুগ্ধ হচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রফিকুল ইসলামের এই উদ্যোগ দেখে এলাকার বেকার যুবক ও তরুণ কৃষকরা এখন বাণিজ্যিকভাবে আম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই পরামর্শ নিতে ভিড় করছেন তার বাগানে।"পরিশ্রম আর সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে আম চাষে বড় সাফল্য পাওয়া সম্ভব। বর্তমানে যে ফলন হয়েছে তাতে আমি অত্যন্ত খুশি। ভবিষ্যতে এই বাগান আরও বড় পরিসরে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে আমার।"— রফিকুল ইসলাম, সফল আম চাষি।স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, রফিকুল ইসলামের এই আধুনিক ও পরিকল্পিত আম চাষ গোমস্তাপুরের কৃষিতে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এমন উদ্যোগ কেবল রফিকুল ইসলামকে স্বাবলম্বী করেনি, বরং এলাকার সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।সব মিলিয়ে, শিয়ালমারি মাঠের এই আমবাগানটি এখন শুধু ফলের আধার নয়, বরং আধুনিক কৃষির এক জীবন্ত পাঠশালা হয়ে দাঁড়িয়েছে।