মোঃ মমিন আলী:
নওগাঁর মহাদেবপুরে মিথ্যা ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি নেতা মোঃ খায়রুল ইসলাম।গতকাল শনিবার দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মামলায় অভিযুক্ত চাঁন্দাশ ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক, খাজুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সহঃ সভাপতি মোঃ খায়রুল ইসলাম, রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত কমর উদ্দীনের ছেলে মোঃ আবুল হোসেন ও বাবুল হোসেন, মৃত ওমর আলীর ছেলে আতাউর রহমান পুতুল। এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. কাজী ফেরদৌস (ফেরদা), হাবিবুর রহামান ভুট্টু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।লিখিত বক্তব্যে মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক বিষয় সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে পুর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক অসৎ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য আমাদের প্রতিপক্ষ একই গ্রামের মৃত শহিদ উদ্দীনের ছেলে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বাবু বাদী হয়ে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সি, আর মামলা নং ৬৭২/২০২৫ মহা:) ১০ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মারামারির মামলা আনয়ন করেন।ওই মামলাতে বাদী অভিযোগ করেন যে, মামলার অভিযুক্ত মোঃ আবুল হোসেনসহ অন্যান্য সকল অভিযুক্তগণ প্রত্যেকেই বাদীর নিকট হতে দুই লক্ষ টাকা করে চাঁদা দাবী করে। যাহা সম্পূর্ণ বিপরীতমূখী অভিযোগ। এখানে জামি-জমা কেন্দ্রীক মারামারি বা চাঁদাবাজীর বিষয় কিনা তা মামলায় সুস্পষ্ট নয়। ফৌজদারী আইন অনুযায়ী অভিযোগ অবশ্যই সুস্পষ্ট হতে হবে।এছাড়াও তিনি অভিযোগ করেন যে, পরবর্তীতে মহাদেবপুর থানার একজন এসআই (নিঃ) মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে বাদীর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কোন আলামত জব্দ ছাড়াই, কোন প্রকার ডাক্তারী সার্টিফিকেট ও বিশেষজ্ঞের মতামত ছাড়াই বানানো স্বাক্ষী দ্বারা মিথ্যা মামলাটি প্রমাণের অপচেষ্টা করেন এছাড়াও ওই পুলিশ কর্মকর্তা সরেজমিনে অভিযুক্তদের সাথে কোন রকম সাক্ষাত ও তদন্ত ছাড়াই সম্পূর্ণ মামলাটির শুধুমাত্র ৩০৭ ধারা বাদ দিয়ে একটি মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেন।তিনি আরো অভিযোগ করেন যে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাদীর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দূর্ণীতি, অনিয়ম, পেশাদারিত্বে চরম অবহেলার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।তিনি দাবী করেন যে, অভিযোগকারীর আনিত মিথ্যা মামলা এবং মিথ্যা চার্জশীট এ অভিযুক্তগণ অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।এছাড়াও অভিযুক্ত মোঃ খায়রুল ইসলাম আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন। অভিযোগকারী জাহাঙ্গীর আলম বাবু এর আগেও তাদের নামে ৪-৫টি মিথ্যা মামলা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।