পরেশ দেবনাথ, কেশবপুর, যশোর:
কেশবপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী-এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করে সম্মানহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি কেশবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। শুক্রবার (৮ মে-২৬) দায়ের করা ওই জিডির নম্বর-৩৮৮।থানায় দায়ের করা জিডি সূত্রে জানা যায়, “NewsVerseBD Breaking News” নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে নুরুজ্জামান চৌধুরীর ছবি বিকৃত ও সম্পাদনা করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়। সেখানে তাকে কেশবপুরের “চাঁদা সম্রাট” আখ্যা দিয়ে আলিয়া মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে কেশবপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনও কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না। রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে।তিনি আরও বলেন, “ফেসবুকে আমার ছবি বিকৃত করে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত সম্মানহানিই নয়, বরং রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং প্রশাসনের কাছে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”এ বিষয়ে কেশবপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, “ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে সম্মানহানির অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”সচেতন মহল মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা দিন দিন উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।