ডেক্স :
গুরুতর ফেডারেল অপরাধে দণ্ডিতদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে একাধিক নতুন পদ্ধতি যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এ পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ফায়ারিং স্কোয়াড, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে মৃত্যু এবং গ্যাস প্রয়োগের মতো বিকল্প ব্যবস্থা।শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডে ব্যবহৃত প্রাণঘাতী ইনজেকশনের প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহে রয়েছে নানা জটিলতা। এ কারণেই নতুন এ উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ পদ্ধতিগুলো সুপারিশ করা হয়। তবে নতুন করে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।প্রতিবেদনে বিচার বিভাগের কারা ব্যুরোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিদ্যমান আইনে অনুমোদিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে ফায়ারিং স্কোয়াড, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করা ও গ্যাস প্রয়োগের পদ্ধতিও অন্তর্ভুক্ত করতে। এ গ্যাস পদ্ধতিটি ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো চালু করে যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্য।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিকল্প পদ্ধতি যুক্ত করা হলে নির্দিষ্ট কোনো ওষুধের অভাব থাকলেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সম্ভব হবে।এর আগে, ২০২১ সালে প্রথম মেয়াদের শেষ দিকে ফেডারেল পর্যায়ে পুনরায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে ট্রাম্প প্রশাসন। সে সময় কয়েক মাসের মধ্যে ১৩ বন্দিকে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগের ৫০ বছরে মাত্র তিনটি ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল।বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের বিচার বিভাগ সারা দেশে ৪০ জনের বেশি আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে মামলা করছে। এসব মামলার কোনোটি এখনো বিচারের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।প্রতিবেদনটির ভূমিকায় ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ উল্লেখ করেন, বাইডেন প্রশাসনের স্থগিতাদেশ ফেডারেল মৃত্যুদণ্ড ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে। এর ফলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বহন করতে হয়েছে।