নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনার তেরখাদা উপজেলার ২ নম্বর বারাসাত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এফ এম উবায়দুল্লাহ। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় অংশগ্রহণের ভিত্তিতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এফ এম উবায়দুল্লাহ দীর্ঘ সময় ধরে এলাকায় সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নমুখী চিন্তা-ভাবনার কারণে ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে তার প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।এফ এম উবায়দুল্লাহ বলেন, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক ও সেবামুখী ইউনিয়ন গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। “মানুষের আস্থা অর্জন করে তাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। এজন্য সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি,।রাজনৈতিক জীবনের শুরু প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০০০ সালে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং আবু হোসেন বাবুর নেতৃত্বে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ২০০৪ সালে থানা ছাত্রদলের সেক্রেটারি পদে প্রার্থী ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি আরও জানান, ২০১৬ সালে খুলনা জেলা যুবদলে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করতে কাজ করেন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় সক্রিয় ভূমিকা পালনের কারণে তাকে গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করতে হয়। এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জেরে একাধিক মামলার সম্মুখীন হয়ে দীর্ঘ সময় এলাকা ছাড়াও থাকতে হয়েছে।সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও রাজনৈতিক আদর্শে অটল থাকার কথা উল্লেখ করে এফ এম উবায়দুল্লাহ বলেন, “মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য। সুযোগ পেলে বারাসাত ইউনিয়নকে একটি উন্নত ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চাই।”আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে তার প্রার্থীতা ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।