এস মেহেদী হাসান, স্টাফ রিপোর্টার ,খুলনা:
ডুমুরিয়ায় মহা ধুমধামের মধ্যদিয়ে জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী মাগুরখালীর সপ্তাহব্যাপী তারকব্রক্ষ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও মিলনমেলা।প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে ১৩তম ১৬ প্রহর ব্যাপি এ যজ্ঞানুষ্ঠান।মাগুরখালী আন্তঃ ইউনিয়ন ২৯ গ্রামের আয়োজনে পরিষদ সংলগ্ন কেএম মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৬টি নামীদামী সম্প্রদায় নামামৃত পরিবেশন শেষে গতকাল ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে।আজ থেকে শুরু হচ্ছে ৪দিন ব্যাপি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সামাজিক ও ধর্মীয় যাত্রাপালা। এতে প্রতি রাতে খুলনা, পাইকগাছা, দেবহাটা সহ বিভিন্ন অঞ্চলের বাছাই কৃত যাত্রাদল অংশগ্রহণ করবেন। এদিকে এ অনুষ্ঠান ঘিরে এলাকায় সাজ সাজ রব, রং বেরঙের তোরণ ও বৈদ্যুতিক আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে।আশ পাশের গ্রামগুলোতে প্রতিটি পাড়া মহল্লায় স্ব স্ব বাড়িতে দুরের আত্মীয় স্বজনদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। মেলায় হোটেল, রেস্টুরেন্ট, কসমেটিক, কাঠের তৈরি খাট,পালঙ্কসহ তিন শতাধিক দোকানি পসরা বসানো হয়েছে। বিনোদনের জন্য রয়েছে নাগরদোলা, নৌকা বিলাস ও শিশুদের রয়েছে মিনি ট্রেন।এসব মেলায় বিকাল হতে অর্ধেক রাত পর্যন্ত দর্শনার্থী নারী পুরুষের ভীড়ে যেন মিলনমেলায় পরিণত হয়।এ মেলায় বছরে একবার এলাকার বাইরে থাকা বহু চাকুরীজীবী, পেশাজীবীদের সাক্ষাৎ হয় এবং একে অপরের সাথে কুশল বিনিময় হয়।এ বিষয়ে কথা হয় যজ্ঞ ও মেলা আয়োজক কমিটির সভাপতি অরুণ গোলদার, সাধারণ সম্পাদক অসিত বরণ মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ অনুকূল মন্ডল, সহসম্পাদক রবীন্দ্রনাথ সরকার, সুশান্ত মন্ডল সহ কমিটির একাধিক ব্যক্তির সাথে।তারা একই সুরে সুর মিলিয়ে বলেন, ডুমুরিয়ায় মাগুরখালীতে ঐহিত্যবাহী এ যজ্ঞানুষ্ঠান ও মেলা প্রতি বছরের ন্যায় এবারও অত্যন্ত জাঁক জমকপূর্ণ ভাবে পালন করা হচ্ছে।আশা করছি অনুষ্ঠানে ২০/২৫ হাজার সনাতনী ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটবে। অনুষ্ঠানে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দুই শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিয়ত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।এত লোক সমাগম তবুও কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হবে বলে আমরা আশাবাদী।