নিজস্ব প্রতিবেদক:আসন্ন তেরখাদা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে চৌধুরী আমিনুল ইসলাম মিলুকে ঘিরে জনসমর্থনে এগিয়ে থাকার আলোচনা জোরালো হচ্ছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন, সামাজিক পরিমণ্ডল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তাকে নিয়ে ইতিবাচক আগ্রহ ও গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আমিনুল ইসলাম মিলু। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ১৯৯০ সালে তেরখাদার নর্থ খুলনা ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে দলীয় রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে সক্রিয় থেকে তিনি নিজ অবস্থানকে সুসংহত করেন।রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবেও এলাকায় পরিচিত। ব্যবসায়িক সাফল্যের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানান স্থানীয়রা।
বর্তমানে তিনি তেরখাদা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করতে তিনি নিয়মিত মাঠে কাজ করছেন বলে জানান নেতাকর্মীরা।রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন মিলু। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের হয় এবং তাকে কয়েকবার কারাবরণ করতে হয়। তবে এসব প্রতিকূলতা তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং তিনি আরও দৃঢ়ভাবে রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেছেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়িয়েছেন।ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তেরখাদা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী চৌধুরী পরিবারের সন্তান। তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব জালাল উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন একজন সুপরিচিত শিক্ষক ও সমাজসেবক, যিনি এলাকায় ব্যাপক সম্মান অর্জন করেছিলেন।এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ এবং নেতৃত্বগুণের কারণে আমিনুল ইসলাম মিলু অন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।তাদের মতে, দলমত নির্বিশেষে তার প্রতি জনসমর্থন দিন দিন বাড়ছে। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে এই সমর্থন আরও সুসংহত হবে এবং নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি, নির্বাচিত হলে তেরখাদা উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।