নিজস্ব প্রতিনিধি :হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক। আজ বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে সাতক্ষীরা জেলার সকল পেট্রোল পাম্পগুলোতে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলার মহেশ্বর কাটি পেট্রোল পাম্প, বুধহাটা পেট্রোল পাম্প, ধুলিহর ভাই ভাই ফিলিং স্টেশন, এবি খান ফিলিং স্টেশন, মোজাহার পেট্রোল পাম্প, মজুমদার ফিলিং স্টেশন, সোনালী ফিলিং স্টেশন, আলিপুর ফিলিং স্টেশন ও বাইপাস রোডে কপোতাক্ষ ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন পাম্পে খুলনা থেকে তেল সরবরাহের অপেক্ষায় শত শত মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এসব পাম্পের কোথাও কোথাও ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে সীমিত পরিমাণে পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। শহরের এবি খান পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইনের কারণে ব্যাপক যানজটে সৃষ্টি হচ্ছে। যে কারণে পথচারীসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। পামগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইনের কারণে অন্যান্য যানবাহন তেল নিতে পারছেনা। ফলে সকাল থেকেই জেলার প্রায় প্রতিটি পাম্পে মোটরসাইকেল ও যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। এসময় অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা যায়।এ সুযোগে শহর ও এর আশপাশ এলাকায় বিভিন্ন খোলা বাজারে বাড়তি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ফিলিং স্টেশনে তেল না পেলেও খুচরা দোকানে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে পেট্রোল ও অকটেন। সেখানে পেট্রোল প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং অকটেন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল না পেয়ে অনেকে অধিক মূল্য দিয়ে তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সাতক্ষীরা জেলার পাম্প গুলোতে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তেল নেয়ার জন্য একসাথে কয়েকশ' মোটরসাইকেল ভিড় করায় অরজগতের সৃষ্টি হচ্ছে। সে কারণে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বৈধ কাগজপত্র যাচাই করে মোটরসাইকেলে তেল বিক্রির জন্য পাম্প গুলোকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলে জানান তিনি।