নিজস্ব প্রতিনিধি :রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলল বাংলাদেশ। দুই বলে আউট হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম এবং সাইফ হাসান । এরপর প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন নাজমুল হাসান শান্তও। তাতেই বিপদে পড়েছে স্বাগতিকরা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩ উইকেটে ২৭ রান করেছে বাংলাদেশ।তাতেই বুঝা যাচ্ছে বল হাতে দাপট দেখাচ্ছিল পাকিস্তান। ঠিক এমন সময়েই মিরপুরে শুরু হয় বজ্রপাত। এরপর নামে বৃষ্টিও। ফলে খেলা বন্ধ রয়েছে।উইকেটে আছেন লিটন ও হৃদয়। ১৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে টানছেন দলের নির্ভরযোগ্য এই দুই ব্যাটার।এর আগে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন পাকিস্তানের ওপেনার সাজ সাদাকাত। অন্যদিকে তাকে সঙ্গ দিতে থাকেন আরেক ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান।মাত্র ৩১ বলে ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নেন সাদাকাত। আর ওপেনিং জুটিতে আসে ১০৩ রান। ইনিংসের ১৩তম ওভারে সাদাকাতকে আউট করার মাধ্যমে এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আউট হওয়ার আগে ৭৫ রান করেন সাদাকাত। মাত্র ৪৬ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ছয়টি চার ও পাঁচটি ছয়ে সাজানো।এরপর ব্যাট করতে নামেন তরুণ তারকা ক্রিকেটার শামিল হুসাইন। সাহিবজাদা ফারহানকে সঙ্গ দিতে দেখে-শুনে খেলছিলেন তিনি। কিন্তু তাকে রেখে সাজঘরের পথ ধরেন ফারহান। আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে ৩১ রান করেন তিনি। কিছুক্ষণ পরে আউট হন শামিলও। তিনি করেন ২২ বলে ৬ রান।চতুর্থ উইকেট জুটিতে দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকেন মোহাম্মদি রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। এসময় দুজন মিলে গড়েন ১০৯ রানের জুটি। তাতেই বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় পাকিস্তান। বিতর্কিত রান আউট হওয়ার আগে ৬৪ রান করেন সালমান। ৬৩ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি সাতটি চার ও একটি ছয়ে সাজানো। এদিকে মোহাম্মদ রিজওয়ান আউট হন ৪৪ রান।এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পর সুবিধা করতে পারেননি কেউই। শেষ ছয় ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন ফাহিম আশরাফ। এছাড়া আব্দুল সামাদ ১১, হুসাইন তালাত ৯, শাহীন শাহ আফ্রিদি ৩, মোহাম্মদ ওয়াসিম ১ ও হারিস রউফ ২ রান করেন।বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।