খুলনার সময়ের খবর ডেস্ক:
নিখোঁজের ২১ দিন পর গোপালগঞ্জের একটি কবরস্থান থেকে মাটিচাপা অবস্থায় মোবাইল ব্যবসায়ী মিজান মোল্যার (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মূল আসামি জাহিদ মোল্লাকে পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছে।শনিবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহ আলম মরদেহ উদ্ধারের তথ্য সমকালকে নিশ্চিত করেছেন।নিহত মোবাইল ব্যবসায়ী মিজান মোল্যা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর মাস্টারপাড়া গ্রামের হারেজ মোল্লার ছেলে। মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে মিজান মোল্যার পরিবারে শোকের মাতম চলছে।অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম মোল্লা (৫৫) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল গ্রামের সাহেব মোল্লার ছেলে।নিহত মিজান মোল্লার স্ত্রী জামিলা ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ব্যবসার ২০ লাখ টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, গত ৮ নভেম্বর রাতে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান মোল্যাকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ফোন করে ডেকে নিয়ে যায় তার ব্যবসায়িক পার্টনার জাহিদ মোল্লা। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় গত ১৭ নভেম্বর ৫ জনকে আসামি করে জামিলা ইসলাম বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরের দিন মামলার প্রধান অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার স্বীকারোক্তি ও টেকনোলজির ব্যবহার করে শনিবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে মাটিচাপা অবস্থায় ব্যবসায়ী মিজান মোল্যার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ওসি বলেন, পরিবারের সদস্যরা মিজানের মরদেহ শনাক্ত করেছেন। এরপর মময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গোপালগঞ্জ আড়াইশ’ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।