
ডেস্ক রিপোর্ট: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশের মানুষের বড় একটি অংশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত। বর্তমান আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে হোমিও চিকিৎসাকে অন্তর্ভুক্ত করা গেলে আরো বেশী মানুষ উপকৃত হবে। নগরীর স্বাস্থ্যকেন্দ্রসমূহে প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি হোমিও চিকিৎসা সম্পৃক্ত করার দাবির বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে বলে তিনি জানান।গতকাল শনিবার সকালে নগরীর বিএমএ ভবনে হ্যানিম্যান সংঘ আয়োজিত আলোচনা সভা ও বিজ্ঞান সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। মহাত্মা স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ২৭১তম জন্ম জয়ন্তী ও হ্যানিম্যান সংঘের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রশাসক অনুষ্ঠানে ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কেক কাটেন।ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যানকে চিকিৎসা শাস্ত্রের অন্যতম একজন জনক হিসেবে উল্লেখ করে প্রশাসক আরো বলেন, একজন মানবতাবাদী হিসেবে তিনি সারা বিশে^র মানুষের কাছে সমাদৃত। তার প্রবর্তিত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে মাননীয় প্রধামন্ত্রীর কাছে উত্থাপন করবেন এবং খুলনা মহানগরীতে এই মহান পেশার সাথে সম্পৃক্তদের কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন কাজ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সাথে খুলনার উন্নয়নে তিনি চিকিৎসকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।হ্যানিম্যান সংঘের সভাপতি ডাঃ তারক চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে উদ্বোধক বক্তৃতা করেন খুলনা হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ এন এম শামীমুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন সাভার হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রভাষক ডাঃ মোঃ আশরাফুল হক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন খুলনা হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবসায়ী ও চিকিৎসক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসাইন এবং সঞ্চালনা করেন হ্যানিম্যান সংঘের সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন কুমার অধিকারী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মোঃ আব্দুল কালাম আজাদ, আনিসুর রহমান মিন্টু, মোঃ ইস্রাফিল হোসেন মুন্সী, মানিক লাল চন্দ, অপূর্ব রায়, ধীরেন্দ্র নাথ গোলদার, জাকিরুল ইসলাম, খায়রুল আলম, হাসানুজ্জামান, কে পি রায়, আব্দুল আজিজ, আব্দুর রশীদ ও জে ডি গোলদার।
