
খুলনার সময়ের খবর ডেক্স :
রাজশাহীর দুটি আসনের তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন মঙ্গলবার তারা রাজশাহীর রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের নির্বাচনি সেল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা তিনজনের মধ্যে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সুলতানুল ইসলাম তারেক আছেন। শেষ দিনের শেষ সময়ে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনে জামায়াতের জোটে থাকা এলডিপির প্রার্থী ছিলেন মো. ওয়াহেদুজ্জামান। তিনিও শেষ দিন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রয়েছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনে কোনো জোটে নেই। তবে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের দলটির প্রার্থী মুহাম্মদ ফজলুল করিম শেষ দিনে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
এ ছাড়া রাজশাহীর আর কোনো প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। রাজশাহীর ছয়টি আসনেই বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা রয়েছেন।
এর মধ্যে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির দুই ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রয়েছেন। এরা হলেন- লন্ডন প্রবাসী জিয়া পরিষদের নেতা রেজাউল করিম ও পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির নেতা ইসফা খায়রুল হক শিমুল। শেষ দিনেও তারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে রয়েছে এবি পার্টি। তবে রাজশাহী-১ আসনে এবি পার্টির আব্দুর রহমান ও রাজশাহী-২ আসনে এবি পার্টির মু. সাঈদ নোমান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। আসন দুটিতে জামায়াতের প্রার্থীদের পাশাপাশি তারাও ভোটের মাঠে থেকে গেলেন।
নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি আসনের কোনোটিতেই জামায়াতের জোটে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী নেই।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে রয়েছে এবি পার্টি। তবে রাজশাহী-১ আসনে এবি পার্টির আব্দুর রহমান ও রাজশাহী-২ আসনে এবি পার্টির মু. সাঈদ নোমান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। আসন দুটিতে জামায়াতের প্রার্থীদের পাশাপাশি তারাও ভোটের মাঠে থেকে গেলেন।
নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি আসনের কোনোটিতেই জামায়াতের জোটে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী নেই।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে এবার মোট প্রার্থী থাকলেন ২৯ জন।
